টিষ্কা সেজেও কিচ্ছু করতে পারল না মিশকা! দীপার হদিশ পেয়ে গেল রুপা!

বর্তমানে জমে উঠেছে স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়া (Anurager chowa)। আড়াই বছরের বেশি সময় ধরে এই ধারাবাহিকটি দর্শকদের বিনোদন উপহার দিয়ে আসছে। বর্তমানে এই ধারাবাহিকের নায়িকা দীপা নায়ক সূর্য এবং তাদের দুই সন্তান দুই দিকে ছিটকে গিয়েছে। এতদিন ধরে সূর্য দীপার মিলনের অপেক্ষায় ছিল দর্শক। শেষ পর্যন্ত সেটা হয়েও কেমন যেন আটকে গেল। তবুও এখনো আশা ছাড়েনি ভক্তরা।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, দীপাকে আটক করে রেখেছে মিশকা। নিজের বাড়ির কাজের লোককে দিয়ে নিজের ইচ্ছেমতো যা নয় তাই করাচ্ছে সে। সেই মহিলার ছেলের অসুস্থতাকে কাজে লাগিয়ে অনেক টাকা দেওয়ার নাম করে তাকে দিয়েই দীপাকে পাহারা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে মিশকা। তবে দীপাকে আটকে রাখা এত সহজ নয়। নিজের হাতের বাঁধন খুলে সেখান থেকে পালাতে গেলে ওই মহিলার সাথে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে সে। যার ফল স্বরূপ ওই মহিলাই অজ্ঞান হয়ে যায়।

এদিকে মিশকা সেনগুপ্ত বাড়িতে এসে সমবেদনা জানায়। পাশাপাশি সে সবার কাছে অনুরোধ করে, দয়া করে তারা যেন মাঝেমধ্যে বীরের সাথে তাকে দেখা করার অনুমতি দেয়। কারণ ওই একমাত্র তার রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়। এই পৃথিবীতে আর এমন কোন কাছের সম্পর্কের মানুষ তার নেই। মিশকার কথাগুলোকে বিশ্বাস করে নেয় প্রত্যেকে। আর ঠিক এটাই চেয়েছিল মিশকা। সেনগুপ্ত বাড়িতে ঢোকার রাস্তাটা পাকাপাকিভাবে করে ফেলে মিশকা।

অন্যদিকে সোনা, যত দিন যাচ্ছে নিজের বাবার থেকে আরো বেশি দূরে সরে যাচ্ছে। সে নিজের বাবার কথা শুনতে চায় না। সূর্যের সঙ্গে কোনো রকম কথা বলে না সোনা। তার হাতে খাবার পর্যন্ত খেতে চায় না সে। কিন্তু সূর্য প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে চলেছে সোনাকে আবার আগের মতন স্বাভাবিক একটা জীবন ফিরিয়ে দেওয়ার। কিন্তু সে হয়তো বুঝতে পারছে না সোনা এভাবে কোনদিনও ঠিক হবে না। নিজের বাবার প্রতি রাগ সৃষ্টি হয়েছে তার মনে। যেটা এত সহজে কমবে না।

Anurager Chowa, Star jalsha, Bengali serial, Bengali television, অনুরাগের ছোঁয়া, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন,

দীপার খোঁজ পেয়ে গেল রুপা

এদিকে রুপা আকাশের দিকে তাকিয়ে তার আশ্রয়দাতা কাকুকে বলে, “আমার মা বলেছিল, মানুষ মা’রা গেলে তারা হয়ে যায়। আমার মা যদি সত্যিই না থাকে তাহলে সে তারা হয়ে যাবে আর সবথেকে বেশি ঝলমল করবে। মা কখনো মিথ্যা কথা বলে না। মা যদি তারা হয়ে যেত তাহলে আমার সাথে সাথে চলতো। আর সব থেকে বেশি ঝলমল করে আমাকে রাস্তা দেখাতো।” বাচ্চাটার কথা শুনে অবাক হয়ে যায় প্রত্যেকে। এত দূরে থেকেও রুপা ঠিক বুঝে গিয়েছে তার মার কিচ্ছু হয়নি।