জীবনের সবথেকে খারাপ অবস্থার মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়ায় (Anurager chowa) ধারাবাহিকের নায়িকা দীপাকে। নিজের সন্তানকে একটু একটু করে মৃত্যুর মুখে এগিয়ে যেতে দেখেও নিজেকে শক্ত রেখেছে সে। ধারাবাহিকের বর্তমান পর্বগুলি দর্শকদের চোখে জল আনতে বাধ্য। দীপার অভিনয় মন কেড়ে নিয়েছে ভক্তদের। এই মুহূর্তে টিআরপি তালিকায় বেশ কিছুটা পড়ে গিয়েছে এই মেগা।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, অনেক সাহস সঞ্চয় করে দীপা তার সন্তান রুপাকে অপারেশন থিয়েটারে পাঠিয়েছে। রুপার সুস্থতা কামনায় ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করছি গোটা শহর। আর এইসবের মাঝেও দীপাকে ভুল বুঝে চলেছে সূর্য। সে ভাবছে, কীকরে এমন একটা অবস্থায় দীপা দ্বিতীয় বিয়ে করলো! সেই চেনা দীপাকে অচেনা লাগছে তার। যাইহোক, অর্জুনের পাশে থাকায় রুপা বিপদ মুক্ত হয়েছে। যার জন্য দীপা খুব খুশি। সে অর্জুনকে সবার সামনে ধন্যবাদ জানায়।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, একেবারে সুস্থ হয়ে গিয়েছে রুপা। আর যেটুকু সমস্যা ছিল সেটুকুও কিছুদিনের মধ্যেই ঠিক হয়ে যাবে। অনেক বড় কঠিন এক দুরারোগ্যের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছে সে। যার ফলে অর্জুনের নাম চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। এই আনন্দে সবাই মিলে ঠিক করেছে বড় করে দোল উৎসব পালন করবে আর সেটা পালন করা হবে অর্জুনের তৈরি ইনস্টিটিউটে। রুপার ফিরে আসায় সবাই খুব খুশি। কিন্তু এই মিথ্যে বিয়ের বোঝা মাথায় নিয়ে দীপা কিছুতেই হাসতে পারছে না।
দীপার প্রাক্তন শ্বশুরমশাই এবং দীপার বাবা দুজন মিলেই কথা বলতে থাকে অর্জুনের ব্যাপারে। তারা বলে, অর্জুন একমাত্র যে পারবে দীপার জীবনটা আনন্দে ভরিয়ে তুলতে। ও আসার পরেই সমস্ত ভালো কিছু ঘটছে। তাই সব সময় দীপা আর অর্জুনকে এক থাকতে হবে। সেই সময় সেখানে চলে আসে লাবণ্য। প্রবীর লবণ্যকে জিজ্ঞাসা করে সূর্য কাকে বিয়ে করেছে। কিন্তু লাবণ্য কিছুই বলতে চাই না। সে বলে বাড়ি ফিরে সব কথা হবে। এরপর অর্জুনের সাথে আলাদা করে কথা বলতে চায় খোকা। সে সরাসরি অর্জুন কে বলে, তার মনে হচ্ছে দীপা আর অর্জুন দুজন মিলে তাদের সবাইকে ঠকাচ্ছে। কিন্তু কথাটাকে খুব বুদ্ধি করে এড়িয়ে যায় অর্জুন।
আরও পড়ুন : সায়ন্তর সঙ্গে বিচ্ছেদের বছর পাড়! অবশেষে ‘সুস্থ প্রেমিক’-এর হদিশ পেয়েছেন প্রিয়াঙ্কা!
এদিকে বড় করে দোল উৎসব পালনের জন্য দীপা আর অর্জুন সবাইকে কার্ড পাঠাচ্ছে। দীপা ফোন কার্ড পাঠানোর পাশাপাশি ফোন করে ইরাকে। তাকে দোল উৎসবে আসতে বলে তার স্বামীর সঙ্গে। ইরা বলে তার স্বামী খুবই ব্যস্ত তাই তিনি নাও যেতে পারেন। সূর্য পাঁচ থেকে বলে তার কোন অসুবিধা নেই সে যাবে। সূর্য যাবে এটা জেনে ভীষণ খুশি হয় ইরা। এরপর ইরার মুখ থেকে রুপার ব্যাপারে সমস্তটাই জানে সূর্য। জানার পরে নিজের মেয়েকে দেখতে সেনগুপ্ত বাড়িতে ছুটে যায় সে। সেখানে সবাই খুব মজা করে ন্যাড়া পোড়া করছে। তাই তাদের মজা নষ্ট হয়ে যাবে ভেবে সূর্য আর তাদেরকে নিজের মুখ দেখায় না।





