“ওই মেয়ের স্বভাব গতি প্রথম থেকেই ঠিক ছিল না”- চোখ খুলতেই মায়ের কানে বিষ ঢালল পরাগ, দোষ না করেও জেলে শিমুল

নিজের আশেপাশের মানুষগুলোর কথা ভাবতে ভাবতে নিজের কথাটাই ভাবতে ভুলে গেছে জি বাংলা (Zee Bangla) কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha) ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুল। যাদের জন্য সে প্রাণপাত করেছে তারাই আজ তাকে ভুল বুঝেছে। শুধু ভুল বুঝেছে এমনটা নয়, ভুল বুঝে তাকে চরম অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে। আর সেটা দেখে সব থেকে বেশি শিমুলের ওপরেই রেগে গিয়েছে দর্শকমহল। বর্তমানে ধারাবাহিকের টিআরপি বেশ কিছুটা পড়েছে।

আরো পড়ুন:অর্জুন থেকে অর্জুন ড্যাডি! বাবার জায়গায় অর্জুনকে বসালো রুপা, ধারাবাহিকে নতুন মোড় আসতেই ক্ষেপে গেল ভক্তরা!

 

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পরাগকে বিষ খাওয়ানোর অভিযোগে শিমুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যদি মধুবালা একবার শিমুলের হয়ে জোর গলায় কথা বলতো, তাহলে হয়তো এই দিনটা আজ তাকে দেখতে হত না। কিন্তু যে মেয়েটা তার জন্য সব করেছে সেই মেয়েটাকেই এক নিমেষে স্বার্থপরের মতন দূরে ঠেলে দিয়েছে মধুবালা। বর্তমানে তার প্রতিবেশী বান্ধবীরা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে চলেছে শিমুলকে উদ্ধার করার। তবে তারা কতটা করে উঠতে পারবে সেই নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে ভক্তদের।

সবটা জানতে পেরে শতদ্রু বিপাশাদের বলে, তার কাছে একজন ভালো উকিল রয়েছে যে শিমুলকে সাহায্য করতে পারে। তার কন্টাক্ট সে দিতে পারে। উনি শুধু টাকা পয়সার জন্য কেস লরেন না। শিমুলকে উনি ঠিক জেল থেকে বের করে আনতে পারবেন। কিন্তু শতদ্রুর থেকে কোনরকম সাহায্য নিতে নারাজ বিপাশারা। তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেয় তার কোন সাহায্যের প্রয়োজন নেই তাদের। এর পাশাপাশি বিপাশা বলে, “কদিন বাদেই তোমার বিয়ে। তোমার হবু বউ এসব কেনো সহ্য করবে বলো? এখন তোমার আর শিমুলের ভালো মন্দ না ভাবলেও চলবে।”

অন্য দিকে শিমুল কোনো দোষ না করেও আর পাঁচটা কয়েদির মাঝে দিন কাটাতে থাকে। এর মাঝেই জ্ঞান ফিরে আসে পরাগের। চোখ খুলতেই সে তার মায়ের কানে বিষ ঢালতে শুরু করে দেয়। নিজের এমন অবস্থাতেও অসংলগ্ন গলায় শিমুলের কুকীর্তির বিবরণ দিতে থাকে। সে বলে, “আমি জানতাম এমন কিছু হবে। ওই মেয়ের সভাব গতি প্রথম থেকেই ঠিক ছিল না।” চুপ করে সব শুনে যায় মধুবালা।

 

এরপর সে আরও বলে, “আসলে শিমুল সহ্য করতে পারছিল না যে এই প্রিয়াঙ্কা সব ওর থেকে নিয়ে নেবে। ওর জায়গা দখল করবে। তাই এমন ঘটালো।” এর মাঝেই হবু শাশুড়ির সামনে নাকে কান্না কেঁদে নিজেকে মহান প্রমাণ করতে চেষ্টা করে প্রিয়াঙ্কা। সে বলে, “আমি শিমুলের যাবতজীবন চাই।” এত মানুষের কুনজরকে উপেক্ষা করে কিভাবে নিজেকে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করবে শিমুল?