শীর্ষার মায়ের কথা শুনে অবাক হয়ে গেলো শিমুল! দারুন সুখবর দিয়ে মধুবালার মুখে হাসি ফোটালো সে!

এখনো এই সমাজে বিয়ের পর মেয়েদেরকে চাকরি করতে দেওয়ায় বাধার সৃষ্টি করা হয়। বিয়ের পর বাপের বাড়ি আর মেয়েদের দায়িত্ব নিতে চায় না। তাই একটি মেয়েকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। ঠিক এমনই একজন ব্যক্তি হলো জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলের কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha) ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুলের বান্ধবী শীর্ষা। আবারো এক চরম বাস্তব তুলে ধরা হচ্ছে দর্শকদের সামনে।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, আজকাল সাইবার ক্রাইম বিষয়টি অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। সমাজের অনেক মেয়েরাই এই অপরাধের শিকার হচ্ছে। এইবার ধারাবাহিকের অন্যতম প্রধান চরিত্র শীর্ষা সেই একই অপরাধের শিকার হয়েছে। যার জন্য তাকেই দোষারোপ করছে তার বাপের বাড়ি এবং শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এমন অবস্থায় তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে তার প্রতিবেশী বন্ধুরা।

কার কাছে কই মনের কথা আজকের পর্ব ১৯ জুন (Kar kache koi moner kotha Today Episode 19 June)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, শিমুল আর সুচরিতা দুজন মিলে চলে আসে শীর্ষার মা-বাবার সঙ্গে দেখা করতে। তারা বাড়িতে না থাকায় শিমুল ঠিক করে এতদূর যখন তারা এসেই পড়েছে তখন কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে যাবে। এরপর সুচরিতার নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে শিমুলের সাথে নানারকম আলাপ-আলোচনা করতে থাকে সুচরিতা। পরবর্তীতে সে কি করতে চলেছে, আদৌ সে অর্থাৎ সুচরিতা সঞ্জয়কে বিয়ে করবে কিনা। সেই সমস্ত বিষয় নিয়ে তারা কথাবার্তা বলতে থাকে।

মেয়ের হাত ছেড়ে দিলো শীর্ষার মা

এরপর সেখানে চলে আসে শীর্ষার মা বাবা। শিমুল তাদেরকে গোটা বিষয়টা আবারো খুলে বলে। পাশাপাশি সে বোঝানোর চেষ্টা করে, এমন ঘটনা আমাদের সমাজে অনেক মেয়ের সাথেই ঘটছে। এরকম কিছু হলে সেই মেয়েটা অনেক অসহায় হয়ে পড়ে তাই তার পাশে দাঁড়ানোটা প্রয়োজন। শীর্ষার মা-বাবা এসব কিছুই বুঝতে চায় না, উল্টে শীর্ষার চাকরি করা নিয়ে একগাদা কথাবার্তা বলতে থাকে। বুঝে যায় তাদেরকে এসব বলে কোন লাভ হবে না। যা করার শিমুলকেই করতে হবে।

আরও পড়ুন: গোপন ক্যামেরায় ধরা পরলো ইরার আসল রহস্য! সত্যিটা জানতে পেরে চমকে গেল দীপা! তাকে ধরার সব ব্যবস্থা করে ফেললো নায়িকা

শিমুলের কথা শুনে খুশি হয়ে গেলো মধুবালা

বাড়ি ফিরে শিমুল মধুবালাকে ডেকে বলে, তার কাছে একটা সুখবর আছে। মধুবালা বলে, “পরাগ সুস্থ হয়ে উঠেছে, তীর্থঙ্কর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে, এসব আমার কাছে সুখবর। এছাড়া আর কী সুখবর দেবে তুমি?” শিমুল বলে পলাশ ছুটি পেয়ে তুতুলের বিয়েতে বাড়িতে আসছে। এটা শুনেই ভীষণ খুশি হয়ে যায় মধুবালা। শিমুল বলে, পলাশ ছাড়া পেলে তার জন্য একটা ব্যবসার ব্যবস্থা করে দেবে শিমুল।