ঠাম্মির চালেই ঠাম্মিকে মাত! তেজের জীবন থেকে ইমনকে উ’পড়ে ফেলল সুধা!

কয়েকমাস আগেই ভিন্ন ধরনের গল্প নিয়ে তৈরি স্টার জলসার (Star jalsha) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘শুভ বিবাহ’ (Subho Bibaho)। ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকে তেজ সুধার জুটি খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দর্শকদের মন জয় করে নিতে পেরেছে। একটা মেয়ে ডিভোর্সী হলেই যে সব সময় সে দোষী হয় না সেই গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে ধারাবাহিকে। এই ধারাবাহিকের মাধ্যমে আমাদের প্রত্যেকের কাছে একটি করে বার্তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে ঠাম্মি তেজের জীবন থেকে সুধাকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ইমনকে টাকা দিয়ে কাজ করতে বলছে। ইমন যাতে সুধাকে এই বাড়ি থেকে বের করে দেয় সেই ব্যবস্থাই করতে বলেছে। আর ইমন তো টাকার লোভে পড়ে এই কাজ করতে রাজি হয়ে গিয়েছে। এদিকে বাড়ির পুজোর সমস্ত আয়োজন একার হাতে সামলাচ্ছে সুধা। সুধার শ্বশুরমশাই তাকে বাড়ির দুর্গাপূজার আয়োজন এর সমস্ত দায়িত্ব দিয়েছে। বাড়ির সকলের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে সুধাও পূজার আয়োজন করছে। অসাধারণ ডেকোরেশন এর মাধ্যমে পুজোর মন্ডপ সাজিয়ে তুলেছে সুধা।

Shubho Bibaho, Star jalsha, Bengali Serial, Serial, Bengali Telivision, শুভ বিবাহ, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Shubho Bibaho Today Episode 14 October, শুভ বিবাহ আজকের পর্ব ১৪ অক্টোবর, শুভ বিবাহ আজকের পর্ব

শুভ বিবাহ আজকের পর্ব ১৪ অক্টোবর (Shubho Bibaho Today Episode 15 October)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে সুধার মন্ডপ সজ্জা দেখে ঠাম্মী জিজ্ঞাসা করে এই সুন্দরভাবে ডেকোরেশন কে করেছে তখন সবাই চুপ থাকলে সুধা এগিয়ে এসে জানায় এই কাজ সে করেছে। ঠাম্মিও বেশ খুশি হন আর সুধার এই কাজে প্রশংসা করে। সুধাকে পুজোর সমস্ত দায়িত্ব দেয়। পরের দিনে সকালে পুজোর সমস্ত আয়োজন শুরু হয়ে যায়। পুজোতে ইমনকে দেখে তো প্রত্যেকেই অবাক হয়ে যায়। ইমনকে সেখানে কেউই আশা করেনি। এরপর ঠাম্মি জানায় ঠাম্মি নিজেই ইমনকে এই পুজোতে আমন্ত্রণ করেছে। পুরনো সমস্ত খারাপ স্মৃতি ভুলে গিয়ে পুজোতে সবাই মিলে আনন্দ মেতে উঠুক সেটাই চাইছে ঠাম্মি। ঠাম্মির মুখে এ কথা শুনে তো প্রত্যেকেই অবাক। যিনি নিজে একদিন ইমনকে টাকা দিয়ে তেজের জীবন থেকে সরিয়ে দিয়েছিল সে নিজে ইমনকে ডেকে এনেছে পুজোতে, এটা ঠিক কারোর বিশ্বাস হচ্ছিল না।

এদিকে দেখা যায় জোছনাকে ইমপ্রেস করার জন্য সুধা উজ্জ্বলকে অনেক রকম ভাবে সাহায্য করছে। উজ্জ্বলকে যাতে সুন্দর দেখতে লাগে তার জন্য তাকে সাজিয়ে গুছিয়ে দিচ্ছে, তাকে সুন্দর করে তোলার চেষ্টা করছে। তারপর সন্ধ্যা বেলা তেজ সবাইকে নিয়ে ঠাকুর দেখতে বেরোয়। সুধাকে প্রথমে তেজ দেখতে না পেয়ে বেশ হতাশ হয়, তারপর অভিমান করে সবাইকে নিয়ে এগোতে থাকে। আর ঠিক তখনই পেছন থেকে ইমন এসে যেই তেজের হাত ধরতে যাবে ওমনি চলে আসে সুধা। সুধাকে দেখে তো অবাক হয়ে যায় তেজ। সুধা যে আসবে সে কথা ভাবতেই পারেনি তেজ।

এরপরই দেখা যায় ঠাম্মি ত্বরিতাকে জিজ্ঞাসা করে সুধা তেজদের সঙ্গে ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছে কিনা। ত্বরিতা জানায় সুধা তাদের সাথে গিয়েছে। আর ঠাম্মি মনে মনে ভাবতে থাকে যে করেই হোক তেজের জীবন থেকে সুধাকে বের করতেই হবে। এবার সকলে মিলে ঠাকুর দেখতে যায়। উজ্জ্বলকে নতুন ভাবে দেখে প্রথমবারের জন্য মনে আলাদা অনুভূতি তৈরি হয় জোছনার। তবে কি এই পুজোর মধ্যেই ভাঙ্গা মনগুলো জোড়া লাগবে? তেজ এবং সুধার মধ্যে সমস্ত ভুল বোঝাবুঝি কি মিটবে? আর জোছনা উজ্জ্বল কি একটু একটু করে কাছে আসবে? সেটাই দেখার অপেক্ষা।