ঠাম্মির নিয়মের বেড়া’জাল ভেঙেই ছাড়ল সুধা! জমে গেল আজকের পর্ব

একদম ভিন্ন ধরনের গল্প নিয়ে স্টার জলসার (Star jalsha) পর্দায় কয়েক মাস আগে শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘শুভ বিবাহ’ (Subho Bibaho)। ধারাবাহিকে সুধা এবং তেজের সম্পর্কের বিভিন্ন ওঠা পড়ার গল্প দেখানো হচ্ছে। ধারাবাহিকটি শুধুর সময় থেকে ধীরে ধীরে করে দর্শকের মন জয় করার চেষ্টা করছে। টিআরপি তালিকাতেও প্রতি সপ্তাহতেই একটু একটু করে নিজেদের জায়গা তৈরি করে নিচ্ছে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে ইমন যে সুধাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিল সে কথা ঝিনুক সবার সামনেই ফাঁস করে দেয়। ঝিনুক এটাও জানায় যে এর আগেও ইমন অনেকবার তাদের ক্ষতি করার চেষ্টা করেছিল। আর এই ঘটনার ব’দলা নিতে ইমন এবং ইমনের মা মিলে ঠাম্মিকে মিথ্যা কথা বলে তাকে ভুল বোঝায়। সুধাকে আবারও ভুল বোঝেন ঠাম্মি। এদিকে বসু মল্লিক বাড়ির পুজো শুরু হয়ে যায়। প্রথমে সুধা এবং তেজের একসাথে পুজো করার কথা থাকলেও ঠাম্মির নির্দেশে তেজের বাবা এবং মা একসঙ্গে পুজো করতে যায়। কিন্তু তেজের বাবা ঠিক কায়দা করে অসুস্থ হওয়ার নাটক করে। যাতে সুধা এবং তেজ পুজো করার সুযোগ পায়।

Shubho Bibaho, Star jalsha, Bengali Serial, Serial, Bengali Telivision, শুভ বিবাহ, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Shubho Bibaho Today Episode 18 October, শুভ বিবাহ আজকের পর্ব ১৮ অক্টোবর, শুভ বিবাহ আজকের পর্ব

শুভ বিবাহ আজকের পর্ব ১৯ অক্টোবর (Shubho Bibaho Today Episode 19 October)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে তেজের বাবা যে নাটক করছে সেটা ধরতে পারল না বাড়ির কেউ। সবাই ভাবল হয়তো তিনি সত্যিই অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদিকে সুধা শশুর মশাইকে সুস্থ করে তোলার জন্য নানান রকম চেষ্টা করে চলেছে। পুজোর সময়ও পেরিয়ে যাচ্ছে ঠাকুর মশাই তাড়া দিচ্ছে। কিন্তু ঠাম্মি যাকেই পুজো করার কথা বলছে সেই মিষ্টি খেয়ে নিয়েছে। তেজের বাবা ইচ্ছে করে এই সমস্ত কারসাজি করে রেখেছে আগে থেকে। যাতে তেজ এবং সুধা একসঙ্গে পুজো করার সুযোগ পায়। এরপরে তেজের মাকে ডেকে তিনি সমস্ত ঘটনা জানায়। তিনি যে ইচ্ছে করে এই সমস্ত কাজ করেছে সেটা তার নিজের স্ত্রীও বুঝতে পারেনি। এরপর বাধ্য হয়েই ঠাম্মির মত না থাকা সত্ত্বেও তেজ এবং সুধাকে একসঙ্গে পুজো করতে হয়।

ঠাম্মির নিয়মের বি’রুদ্ধে সুধা

পুজো শেষ হওয়ার পর সবাই একটু হৈ হৈ করে ঢাকের তালে নাচ করছিল। তা দেখে তো একেবারে রেগে আগুন হয়ে যায় ঠাম্মি। বিশেষ করে তেজের মা নাচ করছিল দেখে তো তিনি আরো বেশি রেগে যান এবং তেজের মাকে বাপের বাড়ি চলে যাবার নির্দেশ দেন। এই ঘটনায় সবাই বেশ অবাক হয়ে যায়। পুজোর দিনে ঠাম্মির এই ধরনের সিদ্ধান্ত কেউই মন থেকে মেনে নিতে পারেনা। তেজ বলে যদি তার মা এই পুজোর দিনে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় তাহলে তারা কেউ এই পুজোতে থাকবে না। কিন্তু ঠাম্মি নিজের সিদ্ধান্ত থেকে নড়ে না, তিনি জানায় যদি বড় বৌমা বাড়ি থেকে বেরিয়ে না যায় তাহলে তিনি নিজে বেরিয়ে যাবেন। এ কথা সুধাকে বেশ অবাক করে, ঠাম্মির এই সমস্ত অবান্তর নিয়ম একেবারেই মানতে রাজি নয় সুধা।

অন্যদিকে ইমন তো হাসপাতাল থেকে বেরোনোর জন্য একেবারে ছটফট করতে থাকে। প্রতিশোধের আগুনে সে একেবারে জ্বলতে থাকে। তাই ফন্টেকে নির্দেশ দেয় সুধার পরিবারের ক্ষতি করার জন্য। কারণ সুধার পরিবার বিপদে পড়লে তবেই সুধাকে বিপদে ফেলা যাবে। সেই জন্য ফন্টে ইমনের কথায় সুধার দাদার ব্যাগে বেশ কয়েকটা টাকার বান্ডিল এবং কিছু নিষিদ্ধ জিনিস ভরে দেয়। এদিকে সুধা নিজের শাশুড়ি, কাকি শাশুড়ি, ননদ সবাইকে বোঝাতে থাকে যে বাড়ির মেয়ে বউরা হল সংসারের মেরুদন্ড। তারা না থাকলে পরিবার একেবারেই অচল হয়ে পড়বে, তাই মেয়েদের ইচ্ছে ভাবনা এগুলোকে গুরুত্ব না দিয়ে ঠাম্মি ভীষণ অন্যায় করছে। সুধা ঠাম্মিকে সম্মান করে, তার আদেশ মেনে চলে কিন্তু এই ধরনের অবান্তর নিয়ম কানুন সুধা একেবারেই মানতে রাজি নয়। তাই সবাইকে সুধা দেখিয়ে দিতে চায় মেয়েরা চাইলে কি করতে পারে। সুধার এই প্ল্যানে সকলেই রাজি হয়। এবার দেখার অপেক্ষা বসু মল্লিক বাড়িতে সুধা কি ঠাম্মির নিয়মের এই বেড়াজাল থেকে সবাইকে বের করতে পারবে কিনা।