প্রসাদ খেতেই পর্দা ফাঁ’স! ঠাম্মির সন্দেহে ঘি ঢালল সুধার হাতের মোদক!

বর্তমান সময়ে স্টার জলসার (Star Jalsha) জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হল ‘শুভ বিবাহ’ (Subho Bibaho)। দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিকের তালিকায় খুব সহজেই নাম লিখিয়ে নিয়েছে এই ধারাবাহিক। টিআরপি তালিকাতেও প্রতি সপ্তাহে বেশ ভালো ফলাফল করছে। একদম অন্যরকম স্বাদের একটি ধারাবাহিক আনা হয়েছে স্টার জলসার পর্দায়। তাই হয়তো দর্শকদের পছন্দের তালিকায় খুব সহজেই নাম লিখিয়ে নিয়েছে ধারাবাহিকটি। গল্পে সুধা এবং তেজের জীবনের নানান কাহিনী ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে সুন্দর সুষ্ঠ ভাবে তেজ বেকারির ফ্যাক্টরিতে গণেশ পূজো সম্পন্ন হয়েছে। সুধা তেজ একসাথে সন্ধ্যা আরতি করে, এরপর সুধার অসাধারণ নৃত্য পরিবেশন সকলকে মুগ্ধ করে দেয়। ঘোমটার আড়ালে থাকা সুধার পরিচয় জানতে সকলেরই কৌতূহল হয়। অন্যদিকে তেজের কাকা এবং ত্বরিতা দুজন মিলে সুধা এবং তেজের উপর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য সুধার বাপের বাড়ি যায় উকিল নিয়ে।

শুভ বিবাহ আজকের পর্ব ১৯ সেপ্টেম্বর (Shubho Bibaho Today Episode 19 September)

আজকের পর্বে দেখানো হবে সুধা বাড়ির সকলের সামনে নিজেকে রাধা বলে পরিচয় দিচ্ছে। ঠাম্মি সুধার কাজে প্রসন্ন হয়ে নিজের গলার গয়না খুলে তাকে পরিয়ে দেয়। এরপর সুধা সকলের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করে দেয়। কিন্তু সুধার দেওয়া প্রসাদ খেয়ে ইমন এবং ঠাম্মি দুজনেরই খুব চেনা চেনা লাগে। এরপরই দেখা যায় তেজের বাবা সকলকে পুরস্কৃত করার জন্য তার ছোটো ভাইকে ডাকে কিন্তু তিনি তো সুধার বাপের বাড়ি উকিল নিয়ে মিথ্যে অভিযোগ করতে গিয়েছে সকলের অজান্তে। সেখানে গিয়ে উকিলের সাহায্যে সুধার পরিবারের উপর জোচ্চুরি এবং মানহানির মামলা দায় করে।

Anurager Chowa, Star jalsha, Bengali Serial, Bengali Telivision, অনুরাগের ছোঁয়া, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Anurager Chowa Today Episode 13 September, অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ১৩ সেপ্টেম্বর, অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব

তেজের নাম নিয়ে সুধার পরিবারের উপর ৩০ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করে। সেই টাকা শোধ না করতে পারলে তাদের পুরো পরিবারকে জেলে যেতে হবে। এরপর দেখা যায় ত্বরিতা বলে সুধার অতীতের কথা জানতে পেরে ঠাম্মি সুধাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। তারপর তার বাপের বাড়ি আসার কথা। কিন্তু তখন সুধার মা ঠাকুমা বলে সুধা আসেনি সে অনেকদিন হলো। এই সব শুনে তো ত্বরিতা মনে মনে বেশ খুশি হয়ে যায়। অন্যদিকে এইসব কথা শুনে সুধার জেঠি, বৌদি সকলে মিলে সুধাকে দোষারোপ করতে থাকে।

অন্যদিকে ফ্যাক্টরিতে সুধা লুকিয়ে তেজের জন্য প্রসাদ নিয়ে আসে। তখন তেজ সুধাকে সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ জানায়। তেজের মনে বিশ্বাস জোগানোর জন্য ধন্যবাদ জানায়। ঠিক তখনই রাধাকে খোঁজার জন্য সেখানে চলে আসে ঠাম্মি। আসলে মোদক খাওয়ার ঠাম্মির মনে সন্দেহ জেগেছে, তার সেই স্বাদ খুব চেনা চেনা লেগেছে। তাই খোঁজ করতে এসেছে। কিন্তু সুধা বুদ্ধি করে সেখান থেকে সরে পড়ে। এরপরই ঠাম্মি তেজের কাছে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির লোকেদের খোঁজ করে কিন্তু তেজ জানায় তারা চলে গেছে। এরপরই ঠাম্মি তেজকে বলে তাদের বানানো মোদকের স্বাদ হুবহু সুধার বানানো মিষ্টির মতন।

অন্যদিকে সুধা ঝিনুককে বলে সন্ধ্যেবেলা গজননের সন্ধ্যা আরতির আগেই তাকে গয়না ফিরিয়ে আনতে হবে। এরপরই সমুদ্র এসে সুধার হাতে চিরকুটের দেওয়া একটি চিঠি দেয় এবং সেটা পরেই সুধার চক্ষু ছানাবড়া হয়ে যায়। অন্যদিকে সুধার নামে নিন্দা শুনে সুধার মা লজ্জায় অপমানে নিজেকে ঘর বন্দী করে ফেলে এবং কিছুক্ষণ পরেই সুধার বোন ঝিনুকের কাছে ফোন আসে আর সেই ফোন পেয়ে হঠাৎ চমকে যায় ঝিনুক। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হতে চলেছে আগামী পর্বে। এতগুলো জট কী কাটাতে পারবে সুধা?