ত্বরিতার দিন শেষ! ষ’ড়যন্ত্রের জাল ছিঁড়ে ইটের জবাব এবার পাটকেলে দেবে সুধা!

এই মুহুর্তে বাংলার যে মেগাগুলি দর্শকদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয় তার মধ্যে অন্যতম একটি হল স্টার জলসার ‘শুভ বিবাহ’ (Subho Bibaho)। এই ধারাবাহিকটির গল্প দর্শকের ব্যাপক পছন্দের। ধারাবাহিক প্রথমবার জুটি বেঁধে কাজ করছেন অভিনেত্রী সোনামণি সাহা এবং অভিনেতা হানি বাফনা। ধারাবাহিকটি অল্প সময়ের মধ্যেই দর্শকদের অত্যন্ত পছন্দের হয়ে উঠেছে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে সুধা তার মায়ের খবর পেয়ে ছুটে আসে বাপের বাড়ি। মেয়ের অপমান সহ্য করতে না পেরে গায়ে আগুন দিতে গিয়েছিল সুধার মা। কিন্তু সুধা সঠিক সময়ে চলে আসায় মাকে উদ্ধার করে বিপদ থেকে। এরপরে তেজ এবং বসু মল্লিক পরিবারের ৩০ লক্ষ টাকা চাওয়ার সমস্ত ঘটনা বাড়ির লোকের থেকে জানতে পারে সুধা। এরপর সেখানে আশ্চর্যজনক ভাবেই চলে আসে মিডিয়ার লোক, তৈরি হয় একটা অস্বস্তিকর পরিবেশে।

Shubho Bibaho, Star jalsha, Bengali Serial, Serial, Bengali Telivision, শুভ বিবাহ, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Shubho Bibaho Today Episode 20 September, শুভ বিবাহ আজকের পর্ব ২০ সেপ্টেম্বর, শুভ বিবাহ আজকের পর্ব

শুভ বিবাহ আজকের পর্ব ২১ সেপ্টেম্বর (Shubho Bibaho Today Episode 21 September)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে সুধা মিডিয়ার সামনে কি বলবে বুঝতে না পেরে থমকে দাঁড়িয়ে পড়ে। আর ঠিক তখনই সুধাকে সেখান থেকে উদ্ধার করতে আসে তেজ। তেজকে দেখে সুধার বৌদি বসু মল্লিক পরিবার এবং তার নামে যা নয় তাই কথা বলতে থাকে। কিন্তু সুধা মাঝপথে তার বৌদিকে থামিয়ে দেয়। এরপর তেজ বলে সুধার সঙ্গে তার কিছু কথা রয়েছে। এই বলে সুধাকে টেনে নিয়ে আসে সকলের মাঝখান থেকে। এরপর তেজ সুধাকে জিজ্ঞাসা করে যে কেনো মিডিয়া ডেকে সুধা বসু মল্লিক পরিবারকে অপমান করতে চাইছে। তখন সুধা জানায় মিডিয়ার লোকজনকে সে ডাকেনি কিন্তু এটা তো ঠিক যে বসু মল্লিক পরিবার থেকে ঠাম্মি তাকে অপমান করে তাড়িয়ে দিতে চেয়েছে, তাকে যোগ্য সম্মান দেয়নি।

এরপরে সুধা তেজকে বলে তেজের থেকে সুধা এই ব্যবহার আশা করেনি। সুধা ভেবেছিল হয়তো তেজ সত্যি বদলে গিয়েছে। সে আসলেই সুধার পাশে দাঁড়াতে চায়। কিন্তু ৩০ লক্ষ টাকা এবং আচার্য পরিবারের উপরে ফ্রড কেস এনে সে বুঝিয়ে দিয়েছে তেজ কি চায়। সুধার মুখে এই সমস্ত কথা শুনতে তেজ তো আকাশ থেকে পড়ে, সে বুঝতেই পারে না সুধা এসব কি বলছে। তেজ সুধাকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে এই কাজ সে কোনদিনই করতে পারে না। তেজ নিজের ইচ্ছেতে সুধার পরিবারকে ৩০ লক্ষ টাকা দিয়ে সাহায্য করেছে। সে কেন টাকা ফেরত চাইবে? এরপরে সুধা তেজকে তেজের সই করানো কাগজ দেখায়। তেজ বলে এই সই তার মতন কিন্তু এই কাগজের সই সে করেনি।

অন্যদিকে মিডিয়ার চ্যানেলের এই সমস্ত ঘটনা ঠাম্মিকে দেখাতে থাকে ত্বরিতা। এসব করে সুধার প্রতি ঠাম্মির মন বিষিয়ে দিতে চায়। সুধা যে মিডিয়ার লোক ডেকে এই সমস্ত কুৎসা বসু মল্লিক পরিবারের নামে রটাছে সেই সমস্ত কথা বলতে থাকে। ঠাম্মিও রেগে যায় সুধার উপরে। এমনকি বসু মল্লিক পরিবারের গার্ডের থেকে ঠাম্মি জানতে পারে কাল রাত থেকে সুধা বাড়িতে নেই। এ সমস্ত কথা শোনেন সুধার ওপর ভীষণ রাগ হয় তার।

এদিকে মিডিয়ার লোকজন সুধাকে চেপে ধরে সত্যিটা বলার জন্য। সুধার বৌদি সুধাকে বারবার সত্যি স্বীকার করার জন্য চাপ দিতে থাকে। কিন্তু সুধা মিডিয়ার লোকের সামনে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় বসু মল্লিক পরিবার তার সঙ্গে কখনো কোনো খারাপ ব্যবহার করেনি। শুধুমাত্র একটা ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে। আর ওই পরিবারের বউ হয়ে সে নিজেকে অনেক ভাগ্যবতী মনে করে, এমনকি তেজের মতো স্বামী পেয়ে সেই ভীষণই সুখী। সুধার মুখে এই সমস্ত কথা শুনে বেরিয়ে যায় মিডিয়ার লোকজন। আর আড়াল থেকে সমস্ত ঘটনা দেখতে থাকে ঠাম্মি এবং ত্বরিতা।

এরপরে ঠাম্মি এসে তেজকে প্রশ্ন করে কেন তেজ আচার্য্য বাড়িতে এসেছে। তেজ সমস্ত ঘটনা জানায় ঠাম্মিকে। সব শুনে ঠাম্মি বলে মেজ খোকা যা করেছে ঠিক করেছে। ৩০ লক্ষ টাকা তো তারা নিয়েছে তেজের থেকে। আর সুধার যে আগে একটি বিয়ে ছিল সে কথাও তার আড়াল করেছে। তখন তেজ জানায় সে নিজের ইচ্ছেতে এই টাকা তাদের পরিবারকে দিয়েছে। ঠাম্মি তখন তেজকে প্রশ্ন করে কার অনুমতি নিয়ে সে তেজ এই কাজটা করেছে? ঠাম্মির মুখে এই কথা শুনে তেজ প্রশ্ন করে তেজ বেকারির উপর কি এতোটুকু অধিকার এখনো জন্মায়নি তার। এরপরে ঠাম্মি জানায় মিডিয়ার লোকজন ডেকে সুধা একেবারে ঠিক কাজ করেনি। এর জন্য ঠাম্মি সুধাকে কখনো ক্ষমা করবে না। কিন্তু তেজ জানিয়ে দেয় সুধা আর তার পরিবারের এই বিপদের দিনে তেজ বসু মল্লিক পরিবারের পাশে নয় বরং আচার্য্য পরিবারের পাশে দাঁড়াবে, সুধার পাশে দাঁড়াবে। তেজের মুখে এই কথা শুনে তো আশ্চর্য হয়ে যায়। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী দিনে কি হয় ধারাবাহিকে।