তিস্তার উপর ভিক্টরের অত্যাচার স্বচক্ষে দেখে ফেলল অনুজা! সূর্যের হাতেই হলো মিশকার বধ!

স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়া (Anurager chowa) ধারাবাহিকে একটি অন্যতম ত্রাস হলো খলনায়িকা মিশকা। যতই অন্যান্য নেতিবাচক চরিত্রই আসুক না কেন এই ধারাবাহিকের পর্দায়, মিশকাকে কেউ টেক্কা দিতে পারবে না। সম্প্রতি ফের আগের মতো করে ফিরে এসেছে মিশকা। দর্শকরা মনে করছেন, এইবার চর চর করে বৃদ্ধি পাবে মেগার টিআরপি।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, জেল থেকে পালিয়ে সোজা সূর্যের কাছে এসে পৌঁছেছে মিশকা সেন। তাকে দেখা মাত্রই ঘৃনা আর রাগে জ্বলে ওঠে সূর্য। ইরার মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে, তাকে মারার ভয় দেখিয়ে নিজের কার্যসিদ্ধি করার চেষ্টা করে মিশকা। সূর্য অনেক বুদ্ধি করে মিশকার সাথে ভালোবাসার নাটক করে তার হাত থেকে বন্দুকটা নিয়ে নেয়। আর অসাবধানতা বশত হাতাহাতি করতে গিয়ে মিশকার হতে গুলি লাগে। এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে ইরাকে নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায় সে।

মিশকা থেকে থাকার মেয়ে নয়। সে একজন একটা পাগলা কুকুরে পরিণত হয়েছে। সবার উপর নিজের দাঁত বসেছে। সে তার ভাড়া করা গুন্ডাদের সাথে নিয়ে সূর্য আর ইরাকে খুঁজতে থাকে। ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, যতই সূর্য আর ইরা লুকিয়ে থাকুক না কেন, তারা ধরা পড়ে যায় মিশকার কাছে। তাদের দুজনকে ধাওয়া করে মিশকা। সে সূর্যের দিকে বন্দুক তাক করে বলে, এইবার মরলে তারা একসাথে মরবে। সূর্যকে একা একা সে কিছুতেই বাঁচতে দেবে না। হয়তো আর একসঙ্গে থাকবে নয়তো তারা একসঙ্গে মরবে। এই নিয়ে দুজনের মধ্যে হাতাহাতি হতে থাকে। হাই রোডে অনেক গাড়ি সেই সময় যাতায়াত করছিল। ফোন দিতে দিতে একটা লরির সামনে এগিয়ে আসে আর অসাবধানতাবশত সূর্যের হাতেই ধাক্কা লেগে মিশকা সেই গাড়ির সামনে গিয়ে পড়ে। ভয়েতে নিজের চোখ ঢেকে ফেলে সূর্য। তারপর থেকেই সে নিজেকে খুনি বলে ভাবতে থাকে।

অন্যদিকে, হঠাৎ করেই দীপার মাথায় হাতে সিঁদুর পড়ে যায়। এ গোটা বিষয়টা নিয়ে বেশ চিন্তায় পড়ে যায় সে। বারবার ডাক্তার বাবুর কথাই মনে পড়তে থাকে তার। অর্জুনেরও বেশ অবাক লাগে এই বিষয়গুলো দেখে। এদিকে সূর্য আর ইরা দৌড়েতে একটা মন্দিরে চলে আসে। ওই গুনটা গুলো মন্দিরের লোকেদের মিথ্যা কথা বলে। তারা বলে তাদের বোন নাকি তার প্রেমিকের সাথে পালিয়ে এখানে এসেছে। ফলে মন্দিরের লোকজন খেপে যায়। সূর্য আর ইরাকে টানতে টানতে নিয়ে এসে তারা একাধিক প্রশ্ন করতে থাকে তাদের। এদিকে সূর্য খুন করে ফেলেছে এটা ভেবে প্রচন্ড চুপচাপ হয়ে যায়। এরা বুঝে উঠতে পারে না এই বিপদের হাত থেকে সে নিজেদেরকে কিভাবে রক্ষা করবে।

আরো পড়ুন: দীপার মুকুটে জুড়লো নতুন পালক! আরো একবার নিজের দক্ষতা প্রমাণ করলেন অভিনেত্রী স্বস্তিকা

অন্যদিকে সেনগুপ্ত বাড়িতে ফিরে আসে ভিক্টর। বাড়িতে এসেই দীপার বলা কথাগুলো মনে পড়ে যায় তার। সেভাবে তিস্তা হয়তো সবকিছু বলে দিয়েছে দীপাকে। খিদে পেয়েছে বলে ঘর থেকে তিস্তার মাকে সরিয়ে দেয় ভিক্টর। আর তারপর বেল্ট বার করে তিস্তাকে মারার উপক্রম করে। ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে অনুজা। কিছুক্ষণের জন্য ভয় পেয়ে গেলেও গোটা বিষয়টাকে খুব সুন্দর ভাবে সামলে নেয় ভিক্টর। ভিক্টরের হাত থেকে বাঁচতে তিস্তা বলে, সে ঠাকুরের কাছে মানত করেছিল যদি ভিক্টর ফিরে আসে তাহলে এক সপ্তাহ সে এক ঘরে থাকবে না। এইভাবে নিজেকে ভিক্টরের হাত থেকে বাঁচায় তিস্তা।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Star Jalsha (@starjalsha)