রক্তের টান, ভালোবাসার টান অনেক দূরে হারিয়ে যাওয়া মানুষগুলোকে ঠিক কাছাকাছি এনে দেয়। ঠিক তেমন করেই স্টার জলসার (Star jalsha) অনুরাগের ছোঁয়ায় (Anurager chowa) ধারাবাহিকের নায়কের সাথে নায়িকা দীপা এবং তাদের দুই সন্তানকে মিলিয়ে দিয়েছে। ফলে বর্তমানে আরো অনেক বেশি পরিমাণে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে এই মেগা।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, গুন্ডাদের হাত থেকে বাবাকে বাঁচিয়ে বাবার দুই হাত ধরে দুই ছোট্ট মেয়ে সোনা আর রুপা গোটা মোহনপুর ঘুরে বেড়াচ্ছে। যতবার তারা পালানোর চেষ্টা করছে ততবার তাদের রাস্তায় বাধার সৃষ্টি করছে ওই গুন্ডারা। অন্যদিকে দীপা খুঁজে চলেছে নিজের প্রাক্তন স্বামী এবং দুই মেয়েকে। দীপার সাথে আছে কাকাই, জয়, উর্মি এবং মোহনপুরের পুলিশ। নিজের কাছের মানুষদের ফিরে পাওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে উঠেছে সে।
অনুরাগের ছোঁয়া আজকের পর্ব ২ জুন (Anurager Chowa Today Episode 2 June)
সূর্যর দেখা পেলো দীপা
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সূর্য ওই গুন্ডা গুলোকে ভাল মতন শায়েস্তা করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওই গুন্ডাগুলো পকেট থেকে অস্ত্র বের করে তাদের দিকে তাক করলে ভয় পেয়ে যায় সোনা রুপা। এরপর তারা তাদের বাবাকেও সাবধান হতে বলে। কিন্তু সূর্য কিছুতেই বুঝতে পারে না কেন সোনা রুপা তাদেরকে বাবা বলে ডাকছে। সূর্য ওই গুন্ডা গুলোকে বলে তাকে হয়তো সোনা রুপার বাবার মতন দেখতে। কিন্তু গুন্ডা গুলো ওই ছোট্ট জিনিসটা সূর্যের থেকে নেওয়ার জন্য অস্থির হয়ে পড়ে।
এই সবকিছুর মাঝে জড়িয়ে পড়ে ভিক্টর। সে প্রতিনিয়ত নিয়মমাফিক সূর্যের খবর কোন এক ব্যক্তিকে দিতে থাকে। এই দিনের পর্বে ভিক্টর সেই ব্যক্তির সাথে দেখা করে। গাড়ির ভেতর বসে থাকা সেই অজ্ঞাত ব্যক্তির ভিক্টরকে বলে, একটা ৬৪ জিবির ছোট্ট পেনড্রাইভ রয়েছে সূর্যের কাছে। সেটা যদি সূর্যর থেকে আদায় করে নিয়ে এসে ভিক্টর তাদেরকে দিতে পারে তাহলে তারা ভিক্টরকে কুড়ি লক্ষ টাকা দেবে। এই কাজে রাজি হয়ে যায় ভিক্টর।
আরও পড়ুন: জলসার আনন্দ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত রানী দুর্জয়! বাদ পড়েছে তাদের নাম! কিন্তু কেনো? মন খারাপের সুর দর্শক মহলে
মাকে চিনতে পারলো না সূর্য
এরপর দীপা সোনা রুপা আর সূর্যকে নিয়ে হাসপাতালে ফিরে আসে। অপেক্ষা করছিল লাবণ্য সেনগুপ্ত। সূর্য ঢুকতেই লাবণ্য খুব আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে। সে যখনই তার নিজের ছেলেকে জড়িয়ে ধরতে যায় তখনই সূর্য তাকে ঠেলে সরিয়ে দেয়। সূর্য কিছুতেই তার মাকে চিনতে পারেনা। দীপা লাবণ্য সেনগুপ্তকে বোঝায়, তারা শুধুমাত্র তাদের ছেলেকে খুঁজে পেয়েছে। কিন্তু এখনো ডক্টর সূর্য সেনগুপ্তকে খুঁজে পায়নি। ওনার কিছুই মনে নেই। তাই ওনার উপর চাপ সৃষ্টি না করে ওনাকে সবকিছু মনে করাতে হবে।





