‘বাবা মারা যাওয়ার পর জানতে পারি শুক্লা আর অরিন্দম প্রেম করছে!’ একদিকে বাবার মৃত্যু অন্যদিকে স্বামীর পরকীয়া! বিস্ফোরক অরিন্দম শীলের প্রথম স্ত্রী!

ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে (Film industry) অভিনেতা, অভিনেত্রীদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রায়শই হয়ে চর্চা হয়ে থাকে। নেটিজেনরা খুবই কৌতুহলী থাকেন অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে। আর প্রসঙ্গটা যদি হয় অরিন্দম শীল (Arindam Sil) তাহলে তো কোন কথাই নেই। শেষ কয়েক মাস ধরে সমালোচনার শীর্ষে বারবার উঠে এসেছে অরিন্দম শীলের নাম। আরজি কর কাণ্ডের পর মহিলা সহকর্মীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে অভিনেতার দিকে।

এছাড়াও তাকে নিয়ে চর্চায় লেগেই থাকে। অভিনেতার বৈবাহিক জীবনেও একাধিক জটিলতা রয়েছে। বর্তমানে দ্বিতীয় স্ত্রী শুক্লা শীল ও মেয়ে সোনিকা শীলকে নিয়ে অরিন্দম শীলের সংসার। তবে অনেকেই জানেন না যে, তার দ্বিতীয় এই বিয়েটা আইনত বৈধ নয়। কারণ প্রথম স্ত্রী তনুরুচিকে আইনত ভাবে ডিভোর্স না দিয়েই শুক্লাকে বিয়ে করেছিলেন পরিচালক। পরিচালকের দ্বিতীয় স্ত্রী শুক্লাও আগে বিবাহিত ছিলেন।

১৯৯২ সালে ভালবেসেই পরিচালক অরিন্দম শীলকে বিয়ে করেছিলেন তনুরুচি। তনুরুচির অভিযোগ, তাঁরই সহকর্মী তথা বন্ধু শুক্লা রায়ের সঙ্গে পরকীয়ার জড়িয়ে পড়েন অরিন্দম। ১৯৯৯ সাল থেকে আলাদা থাকলেও এখনও বিচ্ছেদ হয়নি তাঁদের। সুতরাং আইনিভাবে অরিন্দম শীলের দ্বিতীয় বিয়ে এখনো অবৈধ।

তনুরুচি জানান, শুক্লা ও তিনি কাজ করতেন একই অফিসে। বাবা মারা যাওয়ার পর জানতে পারেন অরিন্দম প্রেম করছেন তাঁরই সহকর্মীর সঙ্গে। তাঁর কথায়, “চোখের সামনে দিয়ে অন্য মেয়ে দার্জিলিং চলে গেল”। এরপরেই তাঁর কাছে আসে ডিভোর্সের নোটিস। তিনি আরও বলেন, ‘শুক্লা আর আমি একই অফিসে কাজ করতাম। বাবা মারা যাওয়ার পর জানতে পারি শুক্লা আর অরিন্দম প্রেম করছে। ওরা আমার চোখের সামনে দিয়েই দার্জিলিং গেল। আমার বাবা তখন হঠাৎই মারা গেছেন, সেই সময় কোথায় স্বামী তার পাশে থাকবে, তার বদলে ও আমাকে তাড়িয়ে দিল।’

‘আমাদের জয়েন্টলি প্রপার্টি ছিল, সেটা ওরা এখনও দখল করে রেখেছে। ও-ই বিবাহ-বিচ্ছেদের আবেদন করেছিল, সেই প্রক্রিয়া এখনও চলছে। কারণ, আমার ওই জয়েন্ট প্রপার্টিটা নিয়ে মামলা চলছিল, সেটা প্রমাণিত যে ওটার আমি ৫০ শতাংশ মালিক। এরপর ওটা আমায় লিখে দেবে বলেছিল মাঝে। তবে এখনও ওরা ওটা আমাকে দেয়নি। মাঝে অবশ্য করোনা গেছে। আমি খোরপোষ চাইনি, কারণ আমি চাকরি করতাম, ওদের কোনও টাকা নিতে চাইও না। তবে আমার প্রাপ্যটা বুঝে নিতে চাই। আমি তো আমার বাবার দেওয়া সমস্ত জিনিসও ওখানে রেখে চলে এসেছি।’