সাহিত্যনির্ভর সিনেমা বাংলা চলচ্চিত্রের অঙ্গনেই বরাবরের চেনা জিনিস। কিন্তু কিছু কিছু সৃষ্টি সময় পেরিয়েও অনন্য থেকে যায়। যেমন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অমর উপন্যাস ‘দেবী চৌধুরানি’। বহুবার ছোট ও বড় পর্দায় উঠে এলেও, এই গল্প আজও সমান প্রাসঙ্গিক ও তাৎপর্যপূর্ণ। সেই ধারা বজায় রেখেই পরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্র ফের একবার নিয়ে এলেন নতুন রূপে ‘দেবী চৌধুরানি’। ছবিটি এখন মুক্তির অপেক্ষায়, আর শুরু হয়ে গেল তার আনুষ্ঠানিক প্রচার—সাহিত্যসম্রাটের জন্মদিনেই, তাঁর জন্মভিটে নৈহাটির কাঁঠালপাড়ায়।
২৬ জুন, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৮৭তম জন্মবার্ষিকীতে টিম ‘দেবী চৌধুরানি’ উপস্থিত হয় বঙ্কিম-ভবন গবেষণা কেন্দ্রে। সেখানে মূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানানোর পর এক সাংবাদিক বৈঠকে ছবির বিস্তারিত তথ্য শেয়ার করেন পরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্র ও কলাকুশলীরা। ছবিতে ভবানী পাঠকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। উপন্যাসের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র—নিশি ও সাগরে অভিনয় করেছেন যথাক্রমে বিবৃতি চট্টোপাধ্যায় ও দর্শনা বণিক।
এই বিশেষ দিনে প্রসেনজিৎ বলেন, “ছবির প্রচার কবে থেকে শুরু করব, তা নিয়ে ভাবছিলাম। আমার মনে হয়েছিল, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিনই হতে পারে সবচেয়ে সঠিক দিন। বাংলা সাহিত্যে তো বটেই, গোটা ভারতবর্ষের সাহিত্য ইতিহাসেই তিনি এক দিকপাল। আজ তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে আমরা প্রচার শুরু করলাম।”
আরও পড়ুনঃ বৃন্দাবনে কন্যাসন্তানের জন্ম, মা হলেন বিদেশিনী চিন্তামণি, বাবা অভিনেতা গৌরব মণ্ডল!
পরিচালক শুভ্রজিতের কথায়, “এই ছবি বাংলার ইতিহাস নিয়ে। ঐতিহাসিক চরিত্রগুলো যেন পর্দায় প্রাণ পেয়েছে। বাংলা পটভূমিতে নির্মিত এই ছবি আমাদের অতীতকে আবার মনে করিয়ে দেবে। আজ বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মভিটে থেকে শুরু করলাম যাত্রা—এটা আমাদের জন্য বড় সম্মান। আশা করি, দর্শকদের মন ছুঁয়ে যাবে আমাদের কাজ।” ছবিটি বাংলা ছাড়াও আরও কয়েকটি ভাষায় মুক্তি পাবে চলতি বছরেই।





