বর্তমানে গোটা ভারতের অভিনয় জগতে নিজের দক্ষতা দিয়ে রীতিমতো দাগ কেটেছেন অভিনেতা যীশু সেনগুপ্ত (Jisshu Sengupta)। টলিউড থেকে বলিউড এবং দক্ষিণী চলচ্চিত্রে নিজের অসাধারণ শৈল্পিক ক্ষমতার প্রমাণ রেখেছেন এই অভিনেতা। অভিনয় ছাড়াও নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও দর্শকদের কাছে মাঝে মাঝেই চর্চায় উঠে আসেন এই অভিনেতা। তার সাথে নীলাঞ্জনা সেনগুপ্তের (Nilanjanaa Sengupta) সুখী দাম্পত্য জীবনের ঘটনা কারোর কাছেই অজানা নয়।
দাম্পত্য জীবনে এবার ইতি টানলেন দম্পতি
এই মুহূর্তে তার দাম্পত্য জীবন নিয়ে দর্শকদের মাঝে চর্চা একেবারে তুঙ্গে। শোনা যাচ্ছে এই দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে নাকি ইতি টানতে চলেছেন তারা। অভিনেত্রী তথা যীশু পত্নী নীলাঞ্জনা সমাজ মাধ্যমে পাতা থেকে ইতিমধ্যেই সরিয়ে ফেলেছেন যীশুর সঙ্গে সব ছবি। এবারে মুছলেন ‘সেনগুপ্ত’ পদবীও! তবে কি সত্যি সত্যি ভাঙছে যীশু-নীলাঞ্জনার সংসার? শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা টলি পাড়ায়।

থেকে কুড়ি বছর আগে ২০০৪ সালের ৪ মার্চ অভিনেত্রী অঞ্জনা ভৌমিকের মেয়ে নীলাঞ্জনা ভৌমিকেরে সঙ্গে ভালোবেসে সাত পাকে বাঁধা পড়েন যীশু সেনগুপ্ত। সেই দিনটার পর থেকে টলিউডে তাঁরা ‘পাওয়ার কাপল’ হিসেবেই সুপরিচিত। তাদের মতন সুখী দাম্পত্য জীবন খুব কম অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মধ্যেই দেখা গিয়েছে। তারা তাদের দুই মেয়ে সারা এবং জারাকে নিয়ে যে সমস্ত সুন্দর মুহূর্তগুলো কাটান, সেই সবটাই তারা তুলে ধরেন সমাজ মাধ্যমে পাতায়। এবারে সেখান থেকেই নীলাঞ্জনা সরিয়ে দিয়েছেন যীশুর সব ছবি।
সম্প্রতি, অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন অভিনেত্রী-প্রযোজক নীলাঞ্জনা। তখন শোনা গিয়েছিল ডিহাইড্রেশনের কারণেই নাকি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তবে এখন জানা যাচ্ছে, দাম্পত্য কলহের জন্যই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন অভিনেত্রী! সূত্রের খবর যীশুই নাকি তৃতীয় সম্পর্কে জড়িয়েছেন, আর সেখান থেকেই হয়েছে এই অশান্তির সূত্রপাত। জানা গিয়েছে, কাজের সূত্রেই নাকি সেই তৃতীয় ব্যক্তির সাথে পরিচয় এবং সেখান থেকেই সম্পর্ক। যদিও এই বিষয়ে একেবারেই মুখে কুলুখ কেটেছেন যীশু।
আরও পড়ুন: “১৩ বছর আমি এই ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক আনন্দ করেছি”- অভিনয় ছেড়ে কেমন আছেন ‘তোমায় আমায় মিলে’-র ঊষসী?
কী বলছেন নীলাঞ্জনা?
নীলাঞ্জনা তার নামাজ মাধ্যমের পাতায় লিখেছেন, ‘এই বছরটা জুড়ে থাকল একের পর এক হারানো, একটার পর একটা ক্ষতি, একের পর এক যুদ্ধে। কঠিন সময় জীবনের আসল রং দেখতে পেলাম। দেখলাম, ভেঙে পড়লেও তা সুন্দর থাকা যায়, জানলাম আমায় ভালবাসার এবং ঘিরে রাখার কত মানুষ আছেন, আমার জীবনের শক্তির স্তম্ভ, হৃৎস্পন্দন হল সারা, জারা, চন্দনা। তোমাদের ভালবাসি। যাঁরা যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছিলেন তাঁদের অসংখ্য ধন্যবাদ। কঠিন সময় পেরিয়ে ফিরে আসার জন্য একটু সময় নিচ্ছি।’





