বছরের শুরুতেই আবারও বিরাট বড় দুঃসংবাদ শোনা গেল। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির (Film Industry) জনপ্রিয় অভিনেত্রীর পরিবারের নেমে এলো শোকের ছায়া। বছর শুরুর পর থেকেই একের পর এক যেভাবে দুর্ঘটনা ঘটে চলেছে তাতে ভেঙে পড়েছেন সকলে। এবারে সকলের প্রিয় অভিনেত্রীর জীবনের এমন দুর্ঘটনা কথা জানতে পেরে মন খারাপ হয়ে গেছে সকলের। কিন্তু কিভাবে ঘটল দুর্ঘটনা সেই নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন।
জনপ্রিয় সেই অভিনেত্রী হল মধুবনী গোস্বামী। একটা দুঃসংবাদ যেতে না যেতেই আরও একটা দুঃসংবাদ এসে পড়ছে। চলতি বছর যেন দুঃসংবাদ লেগেই রয়েছে একের পর এক। এবারে জনপ্রিয় অভিনেত্রীর জীবনে নেমে এলো খারাপ সময়। চলতি বছর অনেক অভিনেতা অভিনেত্রীর জীবনে নানান দুর্ঘটনার খবর আপনাদের এর আগেই জানানো হয়েছে। সম্প্রতি আরো একটি দুর্ঘটনা ঘটে গিয়েছে মধুবনীর জীবনে।
চলতি বছরে পর পর খারাপ খবর শোনা যাচ্ছে। একের পর এক জনপ্রিয় অভিনেতা, অভিনেত্রী পরিচালকের জীবনে খারাপ সংবাদ শোনা যাচ্ছে। তাই চলতি বছরটা একেবারেই ভালো কাটছে না কারো। ইন্ডাস্ট্রিতে কালো অন্ধকারের ছায়া পড়েছে। শুক্রবার সমাজমাধ্যমের পাতায় নিজেই একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে অনুরাগীদের সঙ্গে এই দুঃসংবাদ ভাগ করে নিলেন নায়িকা।
নিজের দাদুকে হারিয়েছেন মধুবনী। শুক্রবার ভিডিয়ো পোস্ট করে মধুবনী বলেন, ‘আমি আমার পরিবারের একজনকে হারাই গতকাল। সেই মানুষটা আমার খুব কাছের ছিল। ওঁর সঙ্গে আমার অনেক স্মৃতি। আমার ঠাকুরদা তিনি চলে গেলেন। আমি তাঁকে দাদা বলতাম। আসলে খুব ভালোবেসে আদর করে মোটা দাদা বলতাম। তিনি একদমই মোটা ছিলেন না, কিন্তু ভালোবেসে ওঁকে ওই নামে আমি ডাকতাম। ওঁর ৯৩ বছর বয়স হয়েছিল।’
আরও পড়ুনঃ বিরাট দুঃসংবাদ! অনুরাগের ছোঁয়াকে বিদায় জানাচ্ছে প্রিয় দীপা! ধারাবাহিক ছাড়ছেন অভিনেত্রী স্বস্তিকা ঘোষ!
মধুবনীর কথায়, ‘আমি যখন দশম শ্রেণিতে বোর্ডের পরীক্ষা দিতে যেতাম, তখন তিনি আমাকে গাড়ি করে পরীক্ষা দিতে নিয়ে যেতেন। দাদা তখন খুব স্ট্রং ছিলেন। আর দাদা আমার কাছে সব সময় স্ট্রং হয়েই থাকবেন। আমি যে বই পড়তে ভালোবাসি, সেটাও আমার দাদার থেকেই পাওয়া। দাদা আমাকে প্রচুর বই কিনে দিতেন। সেই বইগুলো পড়ে পড়ে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ ও ভালোবাসা তৈরি হয়। আমি যে ভালো রেজান্ট করতাম তার সব কৃতিত্বই যায় আমার দাদার কাছে।’





