সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন করে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে অভিনেত্রী-নৃত্যশিল্পী মমতা শঙ্কর। কারণ? তাঁর কিছু বিতর্কিত মন্তব্য। কখনও শাড়ির আঁচল নিয়ে মন্তব্য, কখনও আবার পিরিয়ড প্যাড বাড়ির পুরুষদের কেনা উচিত কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বসেছেন। এমনকি ‘গুড টাচ, ব্যাড টাচ’ শেখানো নিয়েও তাঁর কিছু মত প্রকাশ্যে এসেছে, যা অনেকেই ‘প্রাচীনপন্থী’ বলেই মনে করছেন।
এই বিতর্কের মাঝেই, এবার মুখ খুললেন শঙ্কর পরিবারেরই এক তরুণ সদস্য— শ্রীনন্দা শঙ্কর। যদিও তিনি সরাসরি কোনও নাম নেননি, তবে রবিবার তাঁর ফেসবুক পোস্টে যেভাবে বক্তব্য রেখেছেন, তাতে অনেকেরই ধারণা— ইঙ্গিতটা পিসি মমতার দিকেই।
শ্রীনন্দার পোস্টে লেখা, “বংশগৌরব বা প্রতিভা নয়—একজন মানুষকে চেনা যায় তার চিন্তাভাবনা আর বিশ্বাস দিয়ে। এখন আর সেই দিন নেই, যখন একজন অভিনেতাকে শুধু চরিত্র দিয়ে বিচার করা হতো। তারকাদের অভিমান-অভিনয় পুরনো হয়ে গেছে। আজকের দিনে আপনি মানুষ হিসেবে কেমন, সেটাই বিচার্য। কিন্তু সমস্যা হলো, অনেক তারকাই সময়ের সঙ্গে চলতে শেখেনি, তাই তারা বিরক্ত আর তিক্ত হয়ে পড়ে।”
এই পোস্ট সামনে আসতেই নেটপাড়া যেন একপ্রকার নিশ্চিত— এটা মমতা শঙ্করকে নিয়েই! একজন নেটিজেন মন্তব্য করেন, “সরাসরি কিছু না বলেও অনেক কিছু বলা যায়, এই পোস্ট তার জলজ্যান্ত প্রমাণ। শ্রদ্ধা জানালাম।”
আরেকজন লেখেন, “এই ধরনের বক্তব্য খুব দরকার ছিল। এখন যাঁরা সমালোচনা করার সাহস পাচ্ছেন না, তারাও ‘সমর্থন’-এর নামে ফলোয়ার বাড়াচ্ছেন। আপনি ঠিক পথেই এগোচ্ছেন। অপ্রিয় হলেও সত্যি—সবার পক্ষে বলা সম্ভব নয়।”
আরও পড়ুনঃ “ঘরের কোণে সুচিত্রা-উত্তম… হঠাৎ দরজায় দাঁড়িয়ে গেলেন সুপ্রিয়া!”
এমনকী পরিচালক শতরূপা সান্যাল, যিনি অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তীর মা, তিনিও শ্রীনন্দার ওই পোস্টে মন্তব্য করে লেখেন, “একদম সঠিক কথা।” সব মিলিয়ে একটা ব্যাপার স্পষ্ট—এই পোস্ট যেন হাওয়া নয়, ঝড়ের পূর্বাভাস! শ্রীনন্দা সরাসরি কিছু না বললেও, ইঙ্গিতটা বেশ পরিষ্কার… সময়ের সঙ্গে না চললে, আপনজনরাও প্রশ্ন তো তুলবেই!





