‘ফিলার্স’-এর ঝলক! ঠোঁট, গালের রূপান্তর নিয়ে মুখ খুললেন মমতা শঙ্কর, কী বললেন তিনি?

আজকাল সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই চোখে পড়ে—কোনও নায়িকার ঠোঁটটা একটু বেশি ফুলে আছে, তো কারও গালটা বদলে গিয়েছে! এমনকি মুখের গড়নই যেন পাল্টে গিয়েছে কারও কারও। এই নিয়েই এখন তুমুল আলোচনা। বলিউড থেকে টলিউড—সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে ‘ফিলার্স’ আর কসমেটিক সার্জারির হাওয়া।

এই মুহূর্তে নজরে উরফি জাভেদ। তাঁর সাম্প্রতিক লুক ঘিরে চর্চার ঝড় উঠেছে। নেটিজেনদের একাংশ বলছেন, এখন নাকি সব অভিনেত্রীকেই দেখতে প্রায় একরকম লাগে—একই রকম ঠোঁট, গাল, মুখ!

এই প্রসঙ্গে সম্প্রতি অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়কেও সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে। আর সেই পটভূমিতেই মনে পড়ে যাচ্ছে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর কথাও। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, “এখন তো অনেককেই চিনতে পারি না। ভগবান আমাদের যেমন করে সৃষ্টি করেছেন, সেটা ভালোবাসা আর যত্নে ধরে রাখাই তো আসল। কৃত্রিম উপায়ে নিজেকে বদলে ফেলার কোনও মানে দেখি না।”

এ বার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মমতাশঙ্করও। একেবারে খোলামেলা মত, “আমি কখনও এ সব করানোর কথা ভাবিওনি। ভয় লাগে। এমনকী সাধারণ পার্লারেও খুব একটা যাই না। আমার মা-কে কখনও দেখিনি এ সব করতে। আমার মনে হয়, ভগবান যে চেহারা দিয়েছে, সেটা নিয়ে খুশি থাকাই ভালো। বয়স বাড়লে চেহারা তো বদলাবে, সেটাই তো স্বাভাবিক। সেটা আটকানোর চেষ্টা করেও লাভ নেই। তাই আমি সব সময় এ সবের থেকে বহু দূরে থাকি।”

তবে মমতা এ-ও স্পষ্ট করে বললেন—তিনি কোনওভাবেই আজকের প্রজন্মকে বিচার করছেন না। তাঁদের নিজস্ব পছন্দ, নিজস্ব জীবন—তাতে তিনি হস্তক্ষেপ করতে চান না।

উল্লেখ্য, এ শুধু উরফি জাভেদই নন, এর আগেও অনুষ্কা শর্মা, সুস্মিতা সেনের মতো অভিনেত্রীদের কসমেটিক সার্জারি ও ফিলার্স নিয়ে বিস্তর আলোচনা, সমালোচনা হয়েছে।

শেষ কথা—সৌন্দর্য কি তাহলে স্বাভাবিক থাকলেই ভালো? নাকি সময়ের সঙ্গে বদলানোই নতুন ‘নর্মাল’? প্রশ্নটা কিন্তু থেকে যাচ্ছে।