টলিউডে গসিপের অভাব নেই। কখনও এগুলো নিছক রটনা, আবার কখনও মাসের পর মাস এমনকি বছরের পর বছর ধরে চর্চার বিষয় হয়ে থাকে। ঠিক যেমনটা হয়েছিল ২০১৬-১৭ সালের দিকে, যখন রাজ চক্রবর্তী, শুভশ্রী গাঙ্গুলী আর মিমি চক্রবর্তীকে ঘিরে ত্রিকোণ সম্পর্কের গল্পে সরগরম হয়েছিল ইন্ডাস্ট্রি।
রাজ আর মিমি যে একসময় সম্পর্কে ছিলেন, সেটা তো সবারই জানা। কিন্তু ‘গ্যাংস্টার’ ছবির শুটিংয়ের সময় নাকি সেই সম্পর্কের মধ্যে ফাটল ধরে। শোনা যায়, ছবির শুটিংয়ের জন্য তুরস্কে গিয়ে লাইন প্রোডিউসারের ছেলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েন মিমি। যদিও মিমি সেই খবর উড়িয়ে দিয়েছিলেন, তবুও দেশে ফেরার পরই রাজ-মিমির ব্রেক আপ হয়ে যায়।
এরপরই রাজের জীবনে আসেন শুভশ্রী। টলিপাড়ায় তখন গুঞ্জন—এমনকি বিয়ের কথাবার্তাও নাকি শুরু হয়ে গেছে। দিন-তারিখ, ভেন্যু, মেনু—সব ঠিক। কিন্তু হঠাৎ করেই কাহিনির মোড় ঘুরে যায়। মিমির সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙলেও, কিছুদিনের মধ্যেই রাজ আর মিমির মধ্যে একটা বন্ধুত্বপূর্ণ যোগাযোগ তৈরি হয়। আর সেই খবর পৌঁছে যায় শুভশ্রীর কানে। শোনা যায়, প্রাক্তনের সঙ্গে হবু স্বামীর এই বন্ধুত্ব একদমই মেনে নিতে পারেননি তিনি।
গসিপ বলছে, শুভশ্রী সরাসরি রাজের অফিসে গিয়ে এই বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। এরপর নাকি রাজ-শুভশ্রীর সম্পর্কও ভেঙে যায়। এমনকি শোনা গিয়েছিল, শুভশ্রীর পরিবার রাজকে নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে নানারকম তথ্য পৌঁছে দিয়েছিল। আর এই পুরো ঝামেলার মধ্যে একসময় খবর রটে—মিমি ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন, আবার অন্যদিকে গুঞ্জন ছিল শুভশ্রী নাকি হাইল্যান্ড পার্কের ফ্ল্যাটে আগুন লাগানোর চেষ্টা করেছিলেন।
আরও পড়ুনঃ সেরা ডিটেকটিভ শো-এর জায়গা দখল করেছে সিআইডি! আর এই শরীর প্রাণ “ইন্সপেক্টর দয়া”! জানেন অভিনেতা দয়ানন্দ শেট্টির বাস্তব জীবন কতটা জটিল?
তিনজনই অবশ্য এই খবরকে একেবারে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। রাজ তো সরাসরি মিডিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষোভও প্রকাশ করেছিলেন। সময় কেটে গেছে, পুরোনো গসিপও এখন অনেকটাই ম্লান। রাজ-শুভশ্রী, মিমি—তিনজনেই এখন নিজের নিজের জীবনে ব্যস্ত, সুখে আছেন। আর ভক্তদেরও একটাই আশা, তারা যেন এভাবেই ভালো থাকেন।





