টলিউডে (Tollywood) এমন অনেক তারকা আছেন যাদের এক ডাকে সবাই চেনেন, যাদের কাজ দেখতে সব সময় উৎসাহী হয়ে থাকেন দর্শক মহল। যাদের হাঁটাচলা থেকে কথা বলা এবং অভিনয় সবকিছুতেই মুগ্ধ ভক্তরা। টলি পাড়ার এমনই একজন অন্যতম জনপ্রিয় মুখ হলেন অভিনেত্রী ইশা সাহা (Ishaa Saha)। টেলিভিশন থেকে বড় পর্দা এবং বর্তমানে সব থেকে চর্চিত মাধ্যম ওটিটি, সবেতেই অবাধ বিচরণ এই অভিনেত্রীর।
ভীষণ স্পষ্টবাদী এবং মিষ্টভাষী চরিত্রের একজন মানুষ হলেন ইশা সাহা। জীবনে অনেক চড়াই-উৎরাইয়ের মধ্যে দিয়ে আজ এই জায়গায় এসে পৌঁছেছেন তিনি। জীবনে বারংবার সফলতার মুখ দেখেছেন অভিনেত্রী। কিন্তু তারপরেও কিছু সময়ের জন্য হঠাৎ কথায় চলে গিয়েছিলেন তিনি? এই দিন সংবাদ মাধ্যমের নেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনের অনেক কিছুই দর্শকদের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী ইশা সাহা।
এতদিন কোথায় ছিলেন ইশা?
অভিনেত্রী জানান, “কয়েক মাস আগে যখন দেখলাম একটা বছরের মধ্যে অনেকগুলো কাজ করে ফেলেছি তখন মনে হল এবার নিজেকে একটু ব্রেক দেওয়া দরকার। নিজের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে একটু বিরতি সত্যি খুব প্রয়োজন হয়ে পড়ে। নিজেকে সময় দেওয়াটা ভীষণ জরুরি। মাঝে যেদিকেই তাকাচ্ছিলাম নিজেকেই দেখতে পাচ্ছিলাম। আমার নিজেরই খুব বিরক্ত লাগছিল, আমার মনে হচ্ছিল দর্শকদেরও হয়তো এমনই মনে হচ্ছে। একই মাসে আমার দুটো ছবি রিলিজ হয়। মনে হচ্ছিল যদি একটু গ্যাপ হতো তাহলে হয়তো ভালো হতো। তাই এই ব্রেকটা জরুরি ছিল।”
ট্রোলের যোগ্য জবাব দিলেন অভিনেত্রী
এখন একটু পান থেকে চুন খসলেই সমালোচনার শিকার হতে হচ্ছে তারকাদের। মাঝে অনেকবার অনেকের সাথে নাম জড়িয়ে ট্রোলের শিকার হয়েছেন ইশা। এই প্রসঙ্গে অভিনেত্রী জানান, “আগে খারাপ লাগত কারণ মানুষ তো। কিন্তু এখন মনে হয় যে প্রফেশনে আছি সেখানে এটা স্বাভাবিক তাই কানে না নিলেই হল। আমি ফেমিনিজম করছি না কিন্তু একটা জিনিষ একটু মন দিয়ে দেখলেই বুঝতে পারবে মেল অ্যাক্টরের জীবন নিয়ে কিন্তু এত কাদা ছোড়াছুড়ি হয় না।”
আরো পড়ুন: পলাশ-প্রতীক্ষার কুকীর্তির উপর থেকে পর্দা সরাবে শিমুল! পুলিশ ডেকে এবার সব চক্রান্ত সামনে আনবে সে!
কবে বিয়ে করছেন ইশা?
প্রেম নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অভিনেত্রী জানান, “এখনো প্রেম করছি না তবে করলে অবশ্যই জানাবো। একটু সময় নেব ঠিকই কিন্তু জানাবো। আর আমার কাছে বিয়েটা অতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। প্রেম নেই এদিকে বিয়ে হয়ে গিয়েছে, এটা খুবই দুঃখজনক। আমি চাই প্রেমটা সবসময় থাকুক। বিয়েটা তো দুটো সইয়ের ব্যাপার সেটা যখন খুশি হতে পারে। ওটা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ নয়। কিন্তু ভালোবাসা না থাকলে সেই বিয়ের কোন গুরুত্ব নেই।”





